23 C
Kolkata
Thursday, January 15, 2026

Buy now

spot_img

দয়ানন্দস্বামীর মূর্তিপূজার প্রমাণ ও আর্যসমাজী আক্ষেপ খণ্ডন

প্রথমেই জানাই, এই লেখন কাউকে আঘাত দেবার উদ্দেশে নয়, তবে সত্যের মণ্ডন ও অসত্য ও পাখণ্ডতার নির্মম খণ্ডনের উদ্দেশে রচিত।

আমরা আগের লেখায়  {(বাক্যটিতে ক্লিক করুন👉) য়ানন্দস্বামীর মূর্তিপূজা } বিষয়ক প্রমাণ দেখিয়েছিলাম ও তাঁর দ্বৈধতা সম্পর্কে সবাইকে অবহিত করেছিলাম। তা পড়ে কতিপয় আর্যসমাজীর বড়ই জ্বলন হওয়ায় তারা সেই লেখার খণ্ডনের ব্যর্থ চেষ্টা করেছে। আর সমাজী রীতি মেনে গালি দিতেও বাকি রাখেনি। এই লেখায় আমরা তাদের অসত্য ও অসততার আবারও খণ্ডন করবো ও তাদের সক্ষমতা সবার সামনে উন্মোচন করবো।

প্রথমত:- তারা তাদের লেখার শিরোনাম দিয়েছে যে মহর্ষি দয়ানন্দের রচনায় মূর্তিপূজা অন্বেষণ খণ্ডন। আমরা ইতোমধ্যে অন্য লেখায় প্রমাণ করে দিয়েছি যে, {(বাক্যটিতে ক্লিক করুন👉) দয়ানন্দস্বামী কোনো ঋষি ছিলেন না } তাই তাঁকে মহর্ষি বলার মাধ্যমে সমাজীরা (আর্যসমাজীর সংক্ষিপ্ত রূপ) শিরোনাম থেকেই মিথ্যাচার শুরু করলেন। আসুন, তাঁদের আরও মিথ্যাচারের স্বরূপ উন্মোচন করা যাক।

দ্বিতীয়ত:- সমাজীরা বলেছেন,পৌরাণিক অপপ্রচারকারীরা ১৫০ বছর ধরে গোয়েবলসের নীতি অনুযায়ী একই মিথ্যাচার করে চলছে। কারণ তারা জানে একই কথা বারবার বললে তা মিথ্যা হলেও মানুষের কাছে সত্য লাগবে৷ কিন্তু কালুরাম থেকে জ্বালাপ্রসাদ কারো মিথ্যাচারের খণ্ডনই বাদ যায়নি৷ এদেরও যাবে না৷ বরং প্রতিটি মিথ্যাচারকে ধূলিস্যাৎ করে দেওয়া হবে।”

আসুন, সমাজীদের মিথ্যাচারগুলো দেখে নিই।

মজার কথা হল যে বেদের নামে এত বিরাট মিথ্যাচার আধুনিক যুগে দয়ানন্দস্বামীর অবদান। এদিক দিয়ে তিনি গোয়েবলসের পূর্বসূরী। গোয়েবলস কি তাঁর এই পূর্বসূরী সম্পর্কে জানতেন? তিনি (দয়ানন্দস্বামী) তাঁর স্বকপোলকল্পিত মত প্রচারের স্বার্থে চার শাখা বাদে বাকি সংহিতা ও সব ব্রাহ্মণকে বেদবহির্ভূত বলেন; যেখানে ঋষিরা বলেছেন যে মন্ত্র ও ব্রাহ্মণ মিলিয়েই বেদ। আর বেদের শাখাকে বেদের থেকে আলাদা বলেও কেউ বলেননি।দুর্গা প্রসাদ, সত্যার্থপ্রকাশের ইংরাজী অনুবাদ।আপস্তম্ব শ্রৌতসূত্র

পষ্পশাহ্নিক, পাতঞ্জল মহাভাষ্য, চারুদেব শাস্ত্রী অনূদিত

সমাজীর দাবিমতে তারা পণ্ডিত জ্বালাপ্রসাদ মিশ্র, পণ্ডিত কালুরাম শাস্ত্রী প্রমুখের রচনার খণ্ডন করেছে। আসুন সত্যটা জানি। ‌শাস্ত্রার্থ পারঙ্গম পণ্ডিত কালুরাম শাস্ত্রী পুরাণ বিষয়ে সমাজীদের অপপ্রচার তথা মিথ্যাচারের খণ্ডন করার জন্য পুরাণবর্ম বই লেখেন ও তার খণ্ডন করতে পারলে ১০০০ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেন (তৎকালীন ১০০০ টাকা বর্তমানে এক লক্ষ টাকার সমান)। এও জানান যে এর খণ্ডন করতে অসমর্থ হলে সমাজীদের মূর্খ, ভীরু, শাস্ত্রানভিজ্ঞ ধরে নেওয়া হবে। এর পরেও কোনো সমাজী এই গ্রন্থের খণ্ডন করতে পারেননি। আর এই বিদ্বান্ পণ্ডিতদের অসম্মানপূর্বক সম্বোধন করে সমাজীরা প্রমাণ করল যে তারা দয়ানন্দর মতই খণ্ডন করতে অক্ষম, কিন্তু খণ্ডনের নাম করে আচার্যদের অপমান করতে পটু।পুরাণবর্ম গ্রন্থের খণ্ডন করতে পারলে ১০০০ টাকা পারিতোষিকের উল্লেখ।

সত্যার্থপ্রকাশে রামানুজাচার্যর প্রতি দয়ানন্দস্বামীর কটূক্তি

তৃতীয়ত:- সমাজীরা তাদের লেখায় প্রথমে বঙ্গানুবাদ ব্যবহার করেছেন। এখন বঙ্গানুবাদ তো দয়ানন্দ কৃত নয়। তাই তার যৌক্তিকতা থাকে না। এর পরে আসি হিন্দীর কথায়। সমাজীদের বক্তব্য হল দয়ানন্দস্বামী উনকো আপ স্বীকার করো (সর্বাত্মা সে পান করো) {তাকে আপনি স্বীকার করুন (সর্বাত্মা সে পান করুন)} লিখেছেন। এখন যেহেতু পান করার কথা বন্ধনীর ভিতরে লেখা হয়েছে, তা মূল নয়। তাহলে কি দয়ানন্দস্বামী মূলে এক লিখতেন ও বন্ধনীর ভিতরে ভিন্ন অর্থ লিখতেন? সমাজীরা কি তাঁকে শঠ বলে আখ্যায়িত করতে চাইছেন?

এবারে আমরা অক্সফোর্ড হিন্দী ইংরাজী অভিধান থেকে স্বীকার পদের অর্থ দেখব। স্বীকার পদের অর্থ গ্রহণ বলা হয়েছে। সমাজী মতে ঈশ্বর শুধুই নিরাকার। তাঁর হাতপা ইত্যাদি নেই। তাহলে নিরাকার ঈশ্বর কীভাবে সোমরস গ্রহণ করবেন?অক্সফোর্ড হিন্দী ইংরাজী অভিধান

তারপরে দয়ানন্দস্বামী স্পষ্টতঃ পান করো লিখেছেন। এখন নিরাকারের পক্ষে পান করা সম্ভবই নয়। এটা স্পষ্টভাবে ঈশ্বরের সাকারত্ব নির্দেশ করে। দয়ানন্দস্বামী অন্যত্র ঈশ্বরের সাকারত্বর বিপক্ষে অনেক কিছু‌ লিখে থাকতেই পারেন। তা তাঁর দ্বিচারিতা উন্মোচন করে। সমাজীরা মনে করতে পারেন যে তাঁরা সবাইকে বোকা বানাতে সক্ষম। কিন্তু সব মানুষকে সব সময়ের জন্য বোকা বানানো কখনই সম্ভব নয়।

এরপরে নিরুক্ত বিষয়ে আসি। যাস্কাচার্য নিরুক্তে এই মন্ত্রের ব্যাখ্যায় পাহি অর্থ পিব করেছেন। তাই এখানে পাহি অর্থ অন্যত্র রক্ষা করা হলেও এখানে পান করাই হবেএর বিরুদ্ধতা করে সমাজীরা দেখালেন যে তাঁরা সুবিধামতন নিরুক্তকে অস্বীকার তথা তার বিরুদ্ধাচরণ করেন। তারপরে সমাজীরা আরও কিছু প্রসঙ্গহীন বক্তব্য জুড়ে দয়ানন্দস্বামীর দ্বিচারিতা ও তাঁদের নিরুক্তবিরোধিতাকে ঢাকার ব্যর্থ চেষ্টা করেছেন। তাঁরা বলেছেন যে দয়ানন্দ এখানে আধ্যাত্মিক অর্থ করেছেন, তাই নিরুক্তর আধিদৈবিক অর্থ প্রদর্শন করা মূর্খামি। তাঁদের যুক্তি অনুসারেই বলা যায় যে মহামহোপাধ্যায় সায়ণাচার্য যেখানে যেখানে যাজ্ঞিক অর্থ করেছেন, সেখানে যাস্কাচার্য কৃত অন্য অর্থ প্রদর্শন করা মূর্খামি; যে মূর্খামি আর্যসমাজীরা নিয়মিত করে থাকেন। আর সমাজীরা তো বলেন যে অর্থ নিরুক্ত অনুরূপ না হলে তা ভুল। সেক্ষেত্রে বলতে হয় যে ঋগ্বেদ শাকল সংহিতার ব্যাখ্যা করতে গিয়ে দয়ানন্দস্বামী যে অর্থ প্রদর্শন করেছেন তাও ভুল। আর একে (দয়ানন্দ কৃত অর্থ) ভুল বলে না মানলে সমাজীর তত্ত্বই (বেদমন্ত্রের অর্থ নিরুক্তর সঙ্গে না মিললে তা ভুল) ভুল। আবারও সমাজীদের উভয়তঃ পাশারজ্জুতে বেঁধে ফেলা হল। দেখা যাক সমাজীরা এর উত্তর দিতে গিয়ে আরও কত মূর্খামি করেন।

[ সমাজীর মতে সায়ণাদি অনুসরণ হল দ্বিচারিতা, আমরা তো এখানে দেখিয়েই দিলাম যে দয়ানন্দস্বামী নিজেই বেদসংহিতা ও আর্যাভিবিনয়ে দুরকম অর্থ করে দ্বিচারিতা করেছেন। তাই এই দ্বিচারী ব্যক্তির কৃত অর্থ অবশ্যই পরিত্যাজ্য। আর সায়ণাচার্য কৃত অর্থ সম্পূর্ণ সঠিকআর্যসমাজীদের এবিষয়ে ইতোমধ্যেই শাস্ত্রার্থের আহ্বান করা হয়েছে।]

চতুর্থত:- আর্যসমাজ বলে যে দেবতা ৩৩ জন। এখন তাঁরা যদি অন্য কথা বলেন তা তাঁদের দ্বিচারিতাকে পরিস্ফুট করবে। দয়ানন্দস্বামী বলেছেন যে ইন্দ্র হল ঈশ্বরের অপর নাম।

ইন্দ্র শব্দে দেবতার নয়, পরমেশ্বরের গ্রহণ হয়।

এবারে ইন্দ্র শব্দে অন্যের গ্রহণ করে আর্যসমাজীরা তাঁদের দ্বিচারিতা দেখালেন।‌ এরপরে তাঁরা বিশুদ্ধ মনুস্মৃতি নামক এক জাল গ্রন্থের প্রমাণ উদ্ধৃত করলেন, যাকে আর্যসমাজী বাদে কেউ প্রামাণিকতা স্বীকৃতি দেন না (মনুস্মৃতিতে কাটছাঁট করে ও যেসব শ্লোক সমাজী মতের বিরুদ্ধে যায়; তা বাদ দিয়ে সমাজী সুরেন্দ্র কুমার বিশুদ্ধ মনুস্মৃতি নামক জাল গ্রন্থ প্রণয়ন করেছেন।)। এখন এই গ্রন্থের উল্লেখ দয়ানন্দর সমর্থনে করা ঠিক নয়, কারণ প্রথমতঃ সমাজী বাদে এই গ্রন্থকে কেউ প্রামাণিক মানেন না ও দয়ানন্দস্বামীর জীবৎকালে এই গ্রন্থের অস্তিত্ব ছিল না

পঞ্চমত:- সমাজীদের বক্তব্য এই যে এখানে দয়ানন্দস্বামীর লেখায় ভোগ শব্দের উল্লেখ নেইতাই এখানে কোনো ভোগ দেওয়া হয়নি।

ভোগ, বঙ্গীয় শব্দকোষ

তাদের উদ্দেশে বঙ্গীয় শব্দকোষ থেকে ভোগ শব্দের অর্থ দেখানো হলো। দয়ানন্দস্বামী তাঁর লেখায় অনুচর সহ ইন্দ্র, যম প্রমুখদের জন্য ভোজন দেবার কথা লিখেছেন। আর্যসমাজীরা আপনাদের অস্পষ্ট কথন তো এখন খাটবে না।

[এখন প্রশ্ন হল যে, এই ইন্দ্র কে? এই ইন্দ্র কি কোনো আর্যসমাজী? এঁর সঙ্গে কতজন অনুচর থাকেন? এঁর ভোগ পূর্বদিকে রাখা হয় কেন? ইনি কি জাপানে থাকেন? ইনি প্রতি আর্যসমাজীর ঘরে কোন্ সময় খাবার খেতে আসেন? এঁর সঙ্গে একাধিক অনুচর থাকেন, তো সবার পেট মাত্র এক গ্রাসে ভরে যায় কী করে? যমের ভোগ দক্ষিণ দিকে রাখা হয় কেন? ইনি শ্রীলঙ্কা নিবাসী আর্যসমাজী না কি? আর পশ্চিম দিকে বরুণের ভোগ রাখা হয় কেন? ইনি বর্তমানে সমাজী হওয়া কাবুলী পাঠান না কি? আর উত্তর দিকে যে চন্দ্রমার জন্য ভোগ দেওয়া হয়, তিনি কে? ইনি রাশিয়ার কেউ নাকি? আর্যসমাজীরা! ইন্দ্র, যম, বরুণ, সোম এঁরা কারা? সমাজীরা প্রত্যেককে মাত্র এক গ্রাস করে ভোজন কেন দেন? আর এদের অন্ন দেবার পরে আবার অগ্নিতে সমর্পণ করা কেন? এঁরা তাহলে কী খাবেন? আশারাখি সমাজীরা উপরের প্রশ্ন গুলোর উত্তর দিবেন!]

দেখুন, এঁরা প্রকৃতপক্ষে কোনো মানুষ নন, বরং দেবতা। এঁদের বেদে দেবতা বলা হয়েছে ও যা দয়ানন্দস্বামী সত্যার্থপ্রকাশে খণ্ডন করেছেন। বুদ্ধিবিক্রেতা আর্যসমাজীরা! মূর্তিপূজার আরও খণ্ডন করুন। এই দেবতাদের ভোজন দেওয়া মূর্তিপূজা নয় কেন? দয়ানন্দ আপনাদের বোকা বানাতে চেয়েছিলেন, আর মূর্তিপূজা আপনাদের দিয়েই করালেন কি না? এখানে মূর্তিপূজার ‌খণ্ডনে উদ্যত আর্যসমাজীদের গণ্ডদেশে দয়ানন্দস্বামী এত জোর চপেটাঘাত করেছেন যে যতদিন সত্যার্থপ্রকাশ, সংস্কারবিধি, পঞ্চমহাযজ্ঞবিধি সংসারে থাকবে, ততদিন সমাজীর দ্বিচারিতা সংসারে প্রকট থাকবে।

[তারপরে সমাজীরা দেখাচ্ছেন যে দয়ানন্দস্বামী তো অন্ন অতিথিকে দিতে বলেছেন, নয়ত আগুনে নিক্ষেপ করতে বলেছেন। আমরা যখন মন্দিরে দেবতার উদ্দেশে ভোগ নিবেদন করি ও পরে প্রসাদ পাই, তখন সমাজীরাা এই কাজকে গালি দেন। এখন সমাজীরা নিজেরাই বলি দিচ্ছেন, আর তারপরে অন্নকে আগুনে দিয়ে নষ্ট করছেন। আমরা তো দেবতাকে অন্ন নিবেদন করি ও প্রসাদ পাই। কিছু নষ্ট হয় না। এর দ্বারা সমাজীরা আবারও নিজেদের মূর্খতা সবার সামনে দেখালেন]

দেখুন, সমাজীরা যতই চেষ্টা করুন না কেন, সনাতন হিন্দুধর্মের খণ্ডনে তাঁরা অসফলই থাকবেন। তাঁরা সনাতনধর্মের মৃত্যু কামনাও করেছেন, তবু তা স্বমহিমায় উদ্ভাসিত ছিল আছে ও থাকবে।

সনাতনধর্মবিজয় গ্রন্থের উত্তরে সমাজীরা সনাতনধর্ম কী মৌত লেখেন

⚫ আরো দেখুন

🔸 অনার্য কর্তৃক মূর্তি পূজা খণ্ডন নামক সিরিজের অপদাবীর নিরসন

🔸 শ্রীমদ্ভাগবত মহাপুরাণে প্রতিমা পূজার নিষেধ করেছে কি?

শৌনক রায়চৌধুরী

এতদ্দ্বারা সমাজীদের অসত্যর খণ্ডন ও প্রলাপের নিরাকরণ করা হলো। আমরা বলি, সমাজীদের অসত্যের খণ্ডন অতীতে হয়েছে, বর্তমানে হচ্ছে ও ভবিষ্যতেও হতে থাকবে। ইতোমধ্যেই অনলাইন মাধ্যমে ও সরাসরি আর্যসমাজে গিয়ে শাস্ত্রার্থের মাধ্যমে সমাজী আচার্যদের পরাজিত করা হয়েছে। আর্যসমাজের আচার্যদের শাস্ত্রার্থের জন্য উন্মুক্ত আহ্বান দিয়ে রাখা হয়েছে। তাঁরা এই আহ্বান স্বীকারের সৎসাহস দেখালে শাস্ত্রার্থের আয়োজন করতে আমরা সর্বদা প্রস্তুত আছি। “সনাতন ধর্ম জ্যোতি” পেজে যোগাযোগ করুন।

এই লেখার বিরুদ্ধে যাবতীয় আইনি প্রক্রিয়া কলকাতা উচ্চ ন্যায়ালয়ের অধীনে পড়ছে।

তথ্যসূত্র:

১। Prasad, Durga (1978), An English Translation of The Satyarth Prakash, Jan Gyan Prakashan, Delhi.

২। Thite, G. U. (2004), Apastamba Srauta Sutra, New Bharatiya Book Corporation, Delhi.

৩। শাস্ত্রী, চারুদেব (১৯৯৫), মহাভাষ্য প্রথম নবাহ্নিক, মোতীলাল বনারসীদাস, দিল্লী।

৪। শাস্ত্রী, কালুরাম (১৯৮৬ বিক্রম সম্বৎ), পুরাণবর্ম, প্রথমার্ধ, পণ্ডিত কামতাপ্রসাদ দীক্ষিত কর্তৃক প্রকাশিত, অমরোধা।

Related Articles

1 COMMENT

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Stay Connected

0FansLike
0FollowersFollow
0SubscribersSubscribe
- Advertisement -spot_img

Latest Articles

error: টোকাটুকি দণ্ডনীয় অপরাধ